ঈদের প্রাক্কালে উত্তরের তারকা রাশেদ রহমানের সঙ্গে কিছুক্ষন – Banglar Utsab

বাংলার উৎসব ডিজিটাল ডেস্ক: ঈদ নিয়ে নর্থবেঙ্গলের অভিনেতা রাশেদ রহমানের রাজ্যের গল্প আছে। শৈশবের স্মৃতিও তিনি এমনভাবে আওড়ান যে মনে হয়, এই তো সেদিনকার কথা বলছেন। তার সঙ্গে কথোপকথনে একটা বিষয় পরিষ্কার, বিচিত্র সব অভিজ্ঞতা নিয়েই তিনি তার ঈদ-স্মৃতি অটুট রেখে চলেছেন। ঈদ আসতে আর কয়েকঘন্টার দেরি। তাই বাংলার উৎসবের মুখোমুখি হয় রাশেদ রহমান। রাশেদ রহমান গল্প করলেন বাংলার উৎসবের সঙ্গে, পাঠকদের উদ্দেশে—

ঈদ অনুভূতির বাঁকবদল

ছোটবেলা-বড়বেলা— দুবেলার ঈদ একেক রকম। ছোটবেলায় সালামি নিতাম, সে সময়ের সালামি পাওয়ার আনন্দ অদ্ভুত রকমের ছিল। সালামি ঘিরেই সে সময় ঈদ আনন্দ ছোটাছুটি করত। এখন বড় হয়েছি, তাই সালামি কিছুটা হলেও দেয়ার চেষ্টা করি ।

আমার শৈশবের সব অনুভূতি আমার নানুকে ঘিরে। নানুবাড়িতেই আমার ঈদের দিনের শুরুটা হয়। সকালবেলা গোসল করে নানুর উপহার দেয়া নতুন পোশাক পরে তাকে সালাম করি। এরপর সেজেগুজে সবার সঙ্গে সাক্ষাৎ-গল্প করি। এটা আমার প্রতি বছরের রুটিন। এখন পর্যন্ত এ রকম হয়ে আসছে।

দিনকে দিন ঈদের আসল অর্থ বদলে যাচ্ছে— মন্তব্য রাশেদের । তিনি খেয়াল করেছেন, ঈদ মানে যেখানে সবাই মিলেমিশে একসঙ্গে পালন করার কথা, গরিব-দুঃখী সবাই একই রকমভাবে ঈদ উদযাপনের কথা, তা না হয়ে অনেকেই এখন নিজেকে তুলে ধরতে ব্যস্ত। এখন কে কয়টা পোশাক কিনল, তা নিয়েই নাকি যুদ্ধ চলে সারাক্ষণ। ঈদের মতো সময়ে এগুলো দেখলে খারাপ লাগে ভীষণ।

 

বাংলার উৎসব : তোমার পরবর্তী কাজের ব্যাপারে যদি একটু বলো। ..
রাশেদ রহমান : আমি চিত্রদর্পন টিম এর সাথে পরবর্তী গল্প তে করছি। যেটা খুব অন্যরকম গল্প। দর্শক এবাভে আমাকে দেখে নি। ওরা এর আগেও অনেক গল্প বানিয়েছে। এইতো এই ঈদে ওদের নতুন গল্প আসছে – ইফতার। আশা করি দর্শক-রা আমার মতো তাদের এই গল্প টাকে ভালোবাসা দেবে। আর আমার ইতোমধ্যে হয়ে যাওয়া কাজের মধ্যে, কলকাতার বিখ্যাত ফোটোশ্যুটার দেবজিৎ চক্রবর্তীর কাছ থেকে ফটোশুট করলাম।

You May Also Like