স্বাধীনতার 69 বছর পরেও আজও ভরসা বাঁশের সাঁকো - Banglarutsab.co.in

স্বাধীনতার 69 বছর পরেও আজও ভরসা বাঁশের সাঁকো – Banglarutsab.co.in

বিদ্যুৎ মিত্র, দেওগাঁও, 5 জুলাইঃ ফালাকাটা ব্লকের দেওগাঁও একটি প্রত্যন্ত গ্রাম হিসাবেই পরিচিত সবার কাছে। এই দেওগাঁও গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীন বাঁশের সাঁকো গুলির করুন অবস্থা। দেওগাঁও গ্রামেই বলাভালো সম্পূর্ণ দেওগাঁও অঞ্চলে ছোট বড় মিলিয়ে কমপক্ষে 30টি বাঁশের সাঁকো বর্তমান। এতগুলো সাঁকো হওয়া সত্ত্বেও সবগুলো সাঁকোর বেহাল পরিস্তিতি। সবগুলো সাঁকো ভগ্নপ্রায়। এরফলে বিপদজনক এই সাঁকো গুলি পারাপার করা। জীবন হাতে নিয়ে সাঁকো গুলো পারাপার করতে হয় সমগ্র গ্রামবাসীর।

এর মধ্যে কেউ যদি অসুস্থ হয়ে পরে তো কথাই নেই। এই বিষয়ে দেওগাঁও গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের সাথে কথা হলে তিনি বলেন খুব তাড়াতাড়ি এই বাঁশের সাঁকো সরিয়ে সেই জায়গায় পাকা সেতু বা কালভার্টের কাজ শুরু হবে।স্থানীয়রা জানান যে 1993 সালের ভয়াবহ বন্যার সময় গ্রামের রাস্তা সহ অনেক কালভার্ট ভেঙে পরে, পরবর্তীতে আর সেগুলো মেরামত বা নতুন করে তৈরী করা হয়নি।

বন্যায় যেখানে যেখানে জলের তরে গর্ত হয়েছিল সেগুলোর উপর অস্থায়ী বাঁশের সাঁকো বানানো হয়েছিল। বিগত 24 বছরে কিছু কিছু পাকা সেতু বানানো হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম, গ্রামবাসীরা আরো পাকা সেতুর দাবি জানিয়েছেন। বাসিন্দাদের অভিযোগ সাঁকো গুলোর উপর দিয়ে কোনো ভারী মাল ভর্তি রিকশা,ভ্যান নিয়ে যাওয়া যায় না, কেউ অসুস্থ হলে তাকে কোলে করে নিয়ে সাঁকো পার হতে লাগে। বর্ষাকালে এই পরিস্তিতি আরো চরমে উঠে। ভোটের সময় সব রাজনৈতিক দল শুধু প্রতিশ্রুতি দিয়ে চলে যান, নির্বাচন শেষ সব কিছুই ভুলে যান।

গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের কথা অনুযায়ী জেলা পরিষদ ও পঞ্চায়েত সমিতি কে সব কিছু জানানো হয়েছে, পাকা সেতু বানানো খুব ব্যয়বহুল তবে খুব শীঘ্রই সেতু বানানোর কাজ শুরু হবে।।।।।।।

আরো আকর্সনীয় আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন BanglarUtsab.co.in আপনার সাথে, আপনার পাশে।