বারবার হাতির হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত মানবজীবন। - Bangla News

বারবার হাতির হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত মানবজীবন।

বারবার হাতির হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত মানবজীবন। দিনের আলো নিভতেই শুরু হয় বায়া গণেশের অত্যাচার। লোকালয়ে খাবারের খোঁজে সন্ধ্যে নামতেই তাদের কীর্তিকলাপ প্রকাশ পায়।

বৃহস্পতিবার রাত ১১টার সময় ৪টি হাতি হামলা চালায় পশ্চিম বেংকান্দি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মিডডে মিলের রান্না ঘরে। এই এলাকায় নিত্য হাতির হামলা ঘটলেও, লোকালয়ে প্রবেশ করে স্কুলঘর ভেঙে চাল, ডাল, ডিম খাওয়া এই প্রথম। স্কুল ঘর ও লোকালয় থেকে ফরেস্ট মাত্র কয়েকশো মিটার। এই অবস্থায় স্কুলে ছাত্র ছাত্রীদের খাওয়া বন্ধ হয়ে আছে গত দুদিন থেকে। এই ঘটনায় স্থানীয়রা রীতিমত আতঙ্কিত।

তাদের কথা অনুযায়ী রাত হলেই হাতির উপদ্রব বেড়ে ওঠে। গরিব কৃষক পরিবার গুলো হাতির ভয়ে ধান চাষ করা বন্ধ করে দিয়েছে, জমির পর জমি পরে রয়েছে, একসময় এখানে খাদ্য শস্যের অভাব হতো না। কিন্তু এখন উল্টা চিত্র ধরা পড়লো।

এর পিছনে এক মাত্র কারণ হাতির হামলা। যারা চাষ আবাদ করেছে তারাও জানে না ফসল ঘরে তুলতে পারবে কিনা। এই বিষয়ে তাদের কাছে কোনো স্পষ্ট ধারণা নেই, বিশেষ করে ফসল অর্থাৎ ধান পাকলেই হাতির হানা চারগুন বেড়ে যাবে, এলাকার মানুষ রাতে ঠিক মতো ঘুমাতে পারেনা। স্থানীয় বিট অফিসে লোকজন আজ এর জবাব চাইতে গেলে কোনো সদুত্তর পাওয়া যায়নি। তিনি শুধু বলেন উপর মহলকে সব জানানো হবে।

তিনি শুধু তাদের অভিযোগ শুনে গেলেন, কোনো উত্তর দিতে পারেননি, তিনি কোনো প্রকার মন্তব্য করতে চাননি। ফরেস্ট রেঞ্জের অফিসার এর সাথে যোগাযোগ করা হলে কোনো জবাব মেলেনি। এরকম ঘটনার বারবার পুনরাবৃত্তি হবার জন্য এলাকা বাসীর মনে ক্ষোভ ও ভীতির সঞ্চার ঘটেছে, তারা বন দপ্তরের উদাসীনতাকে দায়ী করেছেন, আধিকারিকরা ঠিক মতো তাদের কর্তব্য পালন করছে না, ক্ষতিপূরণের টাকা চাইতে গেলে শুধু কাগজ পত্রের বাহানা করে তাদেরকে ঘুরানো হচ্ছে। এই রকম উদাসীনতা ও দপ্তরের কর্মীদের কাজ করার ধরণকে স্থানীয় লোকজন তীব্র ধিক্কার জানিয়েছে।

আরো আকর্সনীয় আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন BanglarUtsab.co.in আপনার সাথে, আপনার পাশে।